জর্জ অরওয়েল
অ্যানিমেল ফার্ম
Available Book Type

Paper Book

Book Info:
লেখক: ………………..জর্জ অরওয়েল
অনুবাদ: ……………….মহিউল ইসলাম মিঠু
ফরম্যাট: ……………..Hardcover
প্রকাশকাল: ………….২০২৫
পৃষ্ঠা: …………………….১২৮
ভাষা: ……………………বাংলা
অ্যানিমেল ফার্ম
জর্জ অরওয়েল
অনুবাদ:মহিউল ইসলাম মিঠু
Rated 4.50 out of 5 based on 2 customer ratings
(2 customer reviews)

৳  280.00

 

ম্যানর ফার্মের সব পশু মিলে এক অভূতপূর্ব বিপ্লবের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত করল অত্যাচারী মালিককে। স্বপ্ন ছিল শাসককে সরিয়ে সাম্য, সম্প্রীতি আর সুশাসন দিয়ে গড়ে তুলবে শান্তিপূর্ণ একটা সমাজ। সেই সমাজে প্রাণভরে শ্বাস নেয়া যায়। কিন্তু ক্ষমতার সাথে আসে প্রবঞ্চণা, দুর্নীতি, শোষণ, লোভ। সুন্দর এক সমাজের স্বপ্ন ফিকে হয়ে আসে ক্ষমতার অপব্যবহার, স্বেচ্ছাচারতন্ত্র, উৎপীড়ন আর বিশ্বাসঘাতকতায়। জর্জ অরওয়েলের এই কলজয়ী রূপকে মানবজাতির চিরন্তন সামাজিক আর রাজনৈতিক স্বপ্ন বারবার ডানা মেলে, আবার মুখ থুবড়ে পড়ে। আকাঙ্ক্ষা আত্মগোপনেই রয়ে যায়, ‘অ্যানিমেল ফার্ম’ বারবার ফিরে আসে।

বিস্তারিত

ম্যানর ফার্মের সব পশু মিলে এক অভূতপূর্ব বিপ্লবের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত করল অত্যাচারী মালিককে। স্বপ্ন ছিল শাসককে সরিয়ে সাম্য, সম্প্রীতি আর সুশাসন দিয়ে গড়ে তুলবে শান্তিপূর্ণ একটা সমাজ। সেই সমাজে প্রাণভরে শ্বাস নেয়া যায়। কিন্তু ক্ষমতার সাথে আসে প্রবঞ্চণা, দুর্নীতি, শোষণ, লোভ। সুন্দর এক সমাজের স্বপ্ন ফিকে হয়ে আসে ক্ষমতার অপব্যবহার, স্বেচ্ছাচারতন্ত্র, উৎপীড়ন আর বিশ্বাসঘাতকতায়। জর্জ অরওয়েলের এই কলজয়ী রূপকে মানবজাতির চিরন্তন সামাজিক আর রাজনৈতিক স্বপ্ন বারবার ডানা মেলে, আবার মুখ থুবড়ে পড়ে। আকাঙ্ক্ষা আত্মগোপনেই রয়ে যায়, ‘অ্যানিমেল ফার্ম’ বারবার ফিরে আসে।

পাঠকের প্রতিক্রিয়া

2 reviews for অ্যানিমেল ফার্ম

  1. Rated 4 out of 5

    SHAHARIAR MOHAMMAD JALAL

    সাবলীল ও অসাধারণ অনুবাদ

  2. Rated 5 out of 5

    Samiya aktar aysha

    “যে যায় লংকায় সেই হয় রাবণ”

    যারা বইটি পড়েন নি তারা হয়তো ভাবছেন এ আবার কেমন সূচনা! কিন্তু যারা এই বইটি সম্পর্কে বিন্দু মাত্র ধারণাও রাখেন তারা অবশ্যই আমার এ কথার সাথে একমত হবেন বলে মনে করি।

    বই পড়ার আগে বইটির পিছনে থাকা ইতিহাস জানাটা খুবই জরুরি বলে আমি অন্তত মনে করি। এটি যেমন বই তথা লেখকের লেখার প্রতি আকর্ষণ সৃষ্টি করে ঠিক তেমনি ভাবে বইটির অগোচরে থাকা মূল নীতিকে জানতে সাহায্য করে।

    বইয়ের ইতিহাস : বইটির লেখক জর্জ অরওয়েল তার জীবনের শেষ পর্যায়ে এসে এ উপন্যাস রচনা করেন। কিন্তু প্রকাশ কালে বিপুল বাধা বিপত্তির সম্মুখীন হন। কিন্তু হার মানেন নি । অবশেষে বইটি প্রকাশিত হয় এবং যথারীতি প্রকাশের পর রাশিয়া, নিউইয়র্ক,জর্জিয়া সহ বড় বড় দেশ বইটিকে নিষিদ্ধ করে দেয় কেননা বইটি সে সময় চলাকালীন রাজনৈতিক শাসন অবস্থা কে প্রশ্নবিদ্ধ করে। কিন্তু বাংলায় প্রচলিত কথা আছে “সত্য কখনো চাপা থাকে না”। ঠিক তেমনভাবেই কিছুদিন পরেই বইটি তুমুল জনপ্রিয়তা লাভ করে যা আজও বর্তমান। এ জনপ্রিয়তা এতটাই ছিল যে বইটি ছাপাতে কাগজের ঘাটতি দেখা দেয়।

    এবার আসুন গল্পে ফেরা যাক।

    বইয়ের গল্প (সংক্ষিপ্ত): বইয়ের গল্পটি শুরু হয় ম্যানর ফার্ম নামক একটি ফার্ম থেকে যার নেতৃত্ব অর্থাৎ মালিক মিস্টার জোনস। তার তার করা বিভিন্ন অন্যায় অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে খামারের প্রবীণ শুয়োর (মেজর) এ নেতৃত্বে শুরু হয় বিদ্রোহ। এ বিদ্রোহের ফলাফল হিসেবে বিতাড়িত করা হয় খামারের মালিক মিস্টার জোনস এবং তার সাহায্যকারীদেরকে। ফলাফল স্বরূপ খামারে থাকা সকল পশুপাখি তথা “ম্যানর ফর্ম” লাভ করে স্বাধীনতা, মুক্ত জীবনের স্বাদ এবং ফার্মের নাম পরিবর্তিত হয়ে রাখা হয় “অ্যানিমেল ফার্ম”। খামারটি সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য প্রতিষ্ঠা করা হয় সাতটি অনুশাসন । তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হল:
    ১. যারা দুই পায়ে চলে ,তারা সবাই শত্রু ।
    ২. যারা চার পায়ে চলাচল করে বা ডানা আছে ,তারা সবাই বন্ধু ।
    ৩. মানুষের আচার আচরণ যেমন: মদ্য পান, বিছানায় ঘুমানো, জামা কাপড় পড়া সকল কিছু নিষেধ।

    কিন্তু সময় যতই এগোতে থাকে খামারটিতে ততই স্পষ্ট হতে থাকে এই সকল অনুশাসনের অবক্ষয় এবং নেপোলিয়ন নামক এক শুকরের “এক ন্যায় এক তন্ত্র” শাসন ব্যবস্থা। এই গল্পের অন্যতম চরিত্র দুটি ঘোড়া একটি বক্সার এবং অন্যটি ক্লোভার । যারা মনে করে যা ঘটছে তা সবই সাময়িক সময়ের জন্য, এ সকল কিছু অবশ্যই পরিবর্তন হবে। কিন্তু দিনে দিনে “অ্যানিমেল ফার্ম” রূপান্তরিত হয় “ম্যানর ফার্মে”। বিপ্লব পরবর্তী অ্যানিমেল ফার্মের নীতি “all animals are equal”থেকে পাল্টে হয়ে যায়”all animals are equal but some animals are more equal than others”-যা এই গল্পের চূড়ান্ত রূপ।

    পাঠ প্রতিক্রিয়া: বিশ্বের অনেক জায়গায় ঘটে যাওয়া স্বৈরাচার, স্বৈরাচারীর বিপক্ষে বিদ্রোহ এবং সময়ের কালক্ষেপে বিপ্লবীদের পুনরায় স্বৈরাচারে পরিণত হওয়া খুব একটা দুষ্প্রাপ্য নয় এ যুগে। আমাদের চারপাশে প্রতিনিয়তই ঘটে যাচ্ছে। আর আমরাও গল্পের ঘোড়া দুটি বক্সার কিংবা ক্লোভারের এর মত এই স্বৈরাচার শুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট সময়ের অংশ মাত্র ভেবে সমগ্র জীবন কাটিয়ে দেই স্বৈরাচারীর স্বৈরাচারের কারাগারে।

    অনুবাদক ও প্রকাশক : অ্যানিম্যাল ফার্ম তুমুল জনপ্রিয় হাওয়ায় বইটির (ইংরেজি) পড়ার সৌভাগ্য আগেই হয়েছে। তবে ইংরেজি ভাষায় দক্ষ বা সাবলীল না হওয়ায় বইটির পিছনে লুকিয়ে থাকা মূল কথা বুঝতে পারিনি। এক্ষেত্রে অনুবাদক “মহিউল ইসলাম মিঠু” এর অনুবাদের সুখ্যাতি না করলেই নয়। অন্যদিকে ঋদ্ধপ্রকাশ এর প্রোডাকশন সম্পর্কে কিছু বলা সময় নষ্ট ছাড়া অন্যকিছু বলে মনে হয় না। এক কথায় সেরা।

    ব্যক্তিগত মতামত: এই গল্পকে আমাদের পাঠ্য বইয়ে অন্তর্ভুক্ত করা অতীব জরুরী কেননা এ গল্পে পরিণতি দূর ভবিষ্যতে বাড়বে বই কমবে না বলেই মনে হয়।

    ব্যক্তিগত রেটিং: ৫/৫

    সংযুক্ত ছবিটি সংগৃহীত। ক্যামেরার দুর্দশার কারণে ছবি তোলার মতো দুঃসাহস করিনি বললেই চলে। যদিও প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের নিয়মাবলীতে ব্যক্তিগত ছবি ব্যবহারের কোন নিয়ম চোখে পড়েনি।

    পরিশেষে এটি আমার করা প্রথম বই রিভিউ হওয়ায় ভুল ত্রুটি নিজ গুনে ক্ষমা করবে।

Add a review

Your email address will not be published. Required fields are marked *

একই রকম আরো কিছু বই
Shopping Cart
Scroll to Top