তানজীম রহমান
ছায়া অবলম্বনে
Available Book Type

Paper Book

Book Info:
লেখক: ………………..তানজীম রহমান
ফরম্যাট: ……………..Hardcover
প্রকাশকাল: ………….February 2026
পৃষ্ঠা: …………………….১২৮
ভাষা: ……………………Bangla
ছায়া অবলম্বনে
তানজীম রহমান
Rated 4.00 out of 5 based on 1 customer rating
(1 customer review)

৳  300.00

বইয়ের পাতা উলটালে কালো জাদু, রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র, আর চাপা উৎকণ্ঠার জগতে প্রবেশ করার প্রবল সম্ভাবনা। যথাসম্ভব বিবেচনা শেষে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অনুরোধ রইল।

বিস্তারিত

একজন শয়তান পূজারী সমাজের ধ্বংস ডেকে আনার উদ্দেশ্যে নিষিদ্ধ মন্ত্রপাঠ করে। মন্ত্রে সাড়া সাড়া দেয় রহস্যময় এক শক্তি।

এক প্রভাবশালী সংগঠন ছায়ার মতো সবকিছু নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। নতুন রহস্যের মুখে তারা বিহ্বল হয়।

শহরজুড়ে অনেকে একই স্বপ্ন দেখে। তাদের বাড়িতে দেখা দেয় কিছু মানুষ যারা মানুষ নয়।

বইয়ের পাতা উলটালে কালো জাদু, রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র, আর চাপা উৎকণ্ঠার জগতে প্রবেশ করার প্রবল সম্ভাবনা। যথাসম্ভব বিবেচনা শেষে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অনুরোধ রইল।

পাঠকের প্রতিক্রিয়া

1 review for ছায়া অবলম্বনে

  1. Rated 4 out of 5

    Zakaria Minhaz

    #Book_Mortem 271

    ছায়া অবলম্বনে

    এই গল্পে একটা ধর্ম রয়েছে। শয়তানের উপাসকদের ধর্ম। সেই ধর্মের এক পূজারি মন্ত্র পাঠ করে দাজ্জালকে ডেকে আনতে গিয়ে একটু গড়বড় করে ফেলে। যে অতিপ্রাকৃতিক সত্ত্বা নেমে আসে সে যে আসলে কে তা নিশ্চিত না হলেও, এটুকু নিশ্চিত হওয়া যায় ঢাকা শহরের ওপর নেমে আসছে মহাবিপর্যয়।

    যা কিছু ভালো লেগেছে

    বইটা ছোট, রিভিউতেও তাই ভালো মন্দ লাগার ব্যাপারগুলো নিয়ে আলোচনা করছি। প্রথমত ভালো লেগেছে হররের সাথে ফিলোসফির মিশ্রণটা। বইটাকে মোটাদাগে হররের মধ্যে ঠিক ফেলা যাবে না। তবে লেখকের আগের এক্সপেরিমেন্টাল কাজগুলোর মতো এটাতেও হররের পাশাপাশি দেশের পলিটিক্যাল কিছু ব্যাপার স্যাপার এবং নিজস্ব ফিলোসফির যে ইমপ্লিমেন্ট ছিল তা পড়তে ভালো লেগেছে। রাস্তায় হাঁটতে বের হয়ে হুট করে বহুদিন পর পরিচিত একজনের সাথে দেখা হলে স্বল্প সময়ে কয়েক বছরের গ্যাপ পুষিয়ে নেওয়ার মতো যে আড্ডা হয়, বইয়ের গল্পটা অনেকটা সেরকম। মানে একটা জায়গা থেকে শুরু হয়ে খুব দ্রুতই কিছু ঘটনাবলীর মাধ্যমে সমাপ্তিতে পৌঁছে যায়।
    এসব ঘটনাবলীর মধ্যে খুবই উদ্ভট কিছু সিকুয়েন্স আছে। যেমন শামসু নামের চরিত্রের একটা বর্ণনা। আমার লাইফে এমন বিদঘুটে কিছু সহসা পড়েছি বলে মনে পড়ে না। লেখকের কল্পনাশক্তির তারিফ করতে হয়। এই বইটির কথা আমার যখনই মনে পড়বে, ওই সিকুয়েন্সটার কথা সাথে সাথে মাথায় চলে আসবে। খুব খুব ডিস্টার্বিং একটা সিকুয়েন্স, কিন্তু আমার বেশ ভালো লেগেছে। কাছাকাছি আরেকটা সিকুয়েন্স আছে আস্থা ত্রিপুরার সাথে এক বুড়ির। ওইটা আরেকটা চমৎকার অংশ বইয়ের। এছাড়া নারী নিপীড়কদেরকে ফুলের মালা দিয়ে বরণ করার বাস্তব ঘটনাকে সার্কাস্টিকলি গল্পে নিয়ে আসার ব্যাপারটা ভাল্লাগছে। জনগন কীভাবে ক্ষমতার দালানের বাইরে থেকে যায় কিংবা মানুষের স্রেফ একটাই অনুভূতি (যন্ত্রণা), যাকে ঘিরে বাকিসব অনুভূতির আনাগোনা হয়; এই ধরণের ফিলোসফিক্যাল অংশগুলো অসম্ভব ভালো লেগেছে। বইয়ের শেষের টুইস্টটাও বেশ ভালো। আল্লাহ কখন কার ডাকে সাড়া দেবেন তা একমাত্র আল্লাহই ঠিক করেন। পাপের সাগরে নিমজ্জিত শুধু ঢাকাবাসী না, গোটা দেশবাসীর এমন পরিণতি মাঝেমধ্যে আমি নিজেও কল্পনা করি।

    যা কিছু ভালো লাগেনি

    আমার মতো স্রেফ থ্রিলার পড়ুয়াদের এক্সপেরিমেন্টাল লেখা ভালো লাগে। ভিন্ন কিছুর স্বাদ পাওয়া যায়। তানজীম রহমান নিঃসন্দেহে অসম্ভব প্রতিভাবান একজন লেখক। উনার এক্সপেরিমেন্টাল কাজ হিসেবে অনামিকা চুপ বেশ ভালো লেগেছিল। এরপর বৃষ্টির দিন ভাড়া বেশি বইটা আগেরটার চেয়ে একটু কম ভালো লেগেছে। তবে এই বইতে এসে সেই ভালো লাগার পরিমাণ আরও কমে গেছে। আমি মনে করি সবকিছুর একটা ফাইন লাইন থাকা উচিত। এখানে লেখকের লিখনশৈলী সেই ফাইন লাইনের মধ্যে থাকতে পারেনি। লিখনশৈলী এত বিদঘুটে, ফেসবুক পোস্ট টাইপ যে সেটা কোনোভাবেই ভালো লাগাতে পারলাম না। উইয়ার্ড গল্পের সাথে উইয়ার্ড গদ্যশৈলী হিসেবে ধরলেও তাই পাস মার্ক দেওয়া যাচ্ছে না। বিশেষ করে ফার্স্ট পার্সন ন্যারেটিভের অংশগুলো। এক্সপেরিমেন্ট তাই একটা সীমার মধ্যেই রাখলে ভালো হতো বলে মনে করি।
    আর গল্পের ক্ষেত্রে বললে বলতে হয়, কোনো চরিত্রেরই কোনো আগামাথা নাই। ১২৬ পেইজের ছোট্ট নভেলা হলেও চরিত্রের ব্যাকস্টোরি নিয়ে অনেক কিছু করা যেতে পারে, এমন প্রমাণ আমরা আগেও দেখেছি। কিন্তু এই গল্পে চরিত্ররা স্রেফ আসে যায়। মনে হয় যেন গল্প এগিয়ে নেওয়ার জন্য অমুক তমুককে ধরে আনা হচ্ছে। খন্ড খন্ড কিছু সিকুয়েন্স এনে পরিস্থিতির বর্ণনা দিয়েছেন। ব্যস চরিত্রদের ভূমিকা ওখানেই শেষ। যদিও এন্ডিংটা দিয়ে বোঝানো হয় ওই চরিত্রদের ভেতরে ভালো কিছু ছিল। তবুও পাঠক হিসেবে আমার কয়েকটা চরিত্র নিয়ে আরও বেশি জানার আগ্রহটা অপূর্ণই থেকে গেছে।

    ব্যক্তিগত রেটিং: ০৬/১০ (বইটা শেষ করে আমি বেশ দ্বিধায় পড়ে গেছিলাম। এটা কী আমার ভালো লাগল নাকি খারাপ? সেই দ্বিধা আজ তিন দিন পর রিভিউ লিখতে গিয়েও কাটেনি। তাই মাঝামাঝি অবস্থান নিলাম। লিখনশৈলীটা যদি আরেকটু সুন্দর হতো, চরিত্রদের যদি আরেকটু ব্যপ্তি থাকত, তাহলে হয়তো বইটা আরেকটু বেশি ভালো লাগত। তবে এক বসায় শেষ করার মতো ছোট বই হওয়ায়, আমি মনে করি বইটা একবার পড়ে দেখা যেতেই পারে)

    লেখকের কাছে চাওয়া

    যেকোনো নতুন কিছু প্রথম প্রথম বেশ ভালো লাগে। আস্তে আস্তে একই রকম জিনিস পড়তে পড়তে সেই ভালো লাগাটা ফিকে হয়ে আসে। তানজীম রহমানের একজন ভক্ত হিসেবে উনার কাছে আমার চাওয়া, উনি সময় নিয়ে বড় পরিসরে কিছু একটা লিখুন। আর্কনের মতো দূর্দান্ত কিছু।

Add a review

Your email address will not be published. Required fields are marked *

একই রকম আরো কিছু বই
Shopping Cart
Scroll to Top